মারকাশ চুক্তি বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান
বাংলায় এখনো উচ্চ রেজ্যুলেশনের টেক্সট টু স্পিচ অ্যাপলিকেশন নেই। সেই প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে প্রকাশিত বই সহজেই পঠন উপযোগী করতে এরই মধ্যে প্রস্তুত হয়েছে ব্রেইল অডিও এবং ওয়াইপো সমর্থিত ডেইজি ইপাবলিশ। এই প্রযুক্তিগুলোর সুফল লেখক-প্রকাশক ও পাঠকদের মধ্যে সুলভ করাতে শিগগিরই এ নিয়ে একটি জাতীয় কর্তৃপক্ষ গঠন এবং কর্মসূচি গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে একই সময় ও অর্থে দৃষ্টি ও শ্রুতি প্রতিবন্ধীরাও যেনো বই পড়তে পারেন সে জন্য ই-বুকের ডিজিটাল অ্যাক্সেসেবল লাইব্রেরি স্থাপনের দাবি জানিয়েছে ভিজ্যুয়াল ইম্পেয়ার্ড পিপলস সোসাইটি (ভিপস)।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথা সাহিত্যিক ও বিজ্ঞান লেখক মোহাম্মাদ জাফর ইকবাল বলেছেন, মারকাশ চুক্তি হওয়ার ফলে আমি আনন্দিত। সবচেয়ে ভালো লাগছে, কোনো রকম সহায়তা ছাড়াই আমরা দৃষ্টিপ্রতিন্ধিদের বই অনুবাদ করতে পারবো। এটা একটি মানবিক চুক্তি। তাই আইন হওয়ার আগেই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।
ভিপস সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটস মো: দাউদ মিয়া, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইমাম হোসেন গাজী, আইনজীবি মোশাররফ ভূঁইয়া এবং সাবেক রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটস জাফর রাজা চৌধুরী।
মারিকাশ ট্রিটি অ্যাকসেসন অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড উইথ পাবলিশার্স, রাইটার্স অ্যান্ড জার্নালিস্ট শীর্ষক এই সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলায় মাল্টিমিডিয়া টকিং বুক উদ্ভাবক এটুআই এর জাতীয় পরামর্শক (প্রবেশগম্যতা) ভাস্কর ভট্টাচার্য।
বক্তব্যে মো: দাউদ মিয়া বলেছেন, মার্কেস চুক্তি অনুযায়ী দৃষ্টি ও শ্রুতিপ্রতিবন্ধীদের জন্য পঠন উপযোগী যে কোনো ফরম্যাট কাস্টমাইজ করার ক্ষেত্রে দেশে আইনি কোনো বাধা থাকবে না। আগামী জুনের আগেই এ নিয়ে প্রস্তাবিত আইনটি পাশ হবে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বই পড়া উৎসাহিত করতে প্রণোদনা ও সফট টুলস সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণের আহ্বান জানান সাবেক রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটস জাফর রাজা চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের প্রতি প্রতি ধন্যবাদ প্রকাশ করেন ভিপস যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ আনোয়ার খান মিরাজ।







